রবিবার, ৯ মে, ২০২১

মা দিবসে উপলব্ধি

মা দিবসে উপলব্ধি-সুজন নীল
আপনি যখন একা জীবন যাপন করবেন তখন অনুধাবন করবেন ঘরের কাজগুলো ফেলনা নয় এই রান্নাবান্না, থালাবাসন মাজা,কাপড়চোপড় ধোঁয়া এই কাজগুলো আমাদের বেশিরভাগ পুরুষদের চোখে বড় না হয়ে উঠার কারণ- প্রায়শই আমরা কাজগুলো করিনা, করে থাকে নারীরা।আর প্রায় পুরুষের মুখে শোনা যায় আরে এগুলো এমন কি কাজ।বিশ্বাস করেন আপনি একজন পুরুষ একা জীবনযাপন করে না থাকলে কখনোই অনুধাবন করতে পারবেননা এই কাজগুলো কতটা আরামদায়ক নয়। এই আমার কথায় ধরুন মজার মজার রান্না করে খাওয়ার পর ইচ্ছে করেনা আর থালা বাসন মাঝার। যেদিন অলসতা করে ধোঁয়া মোচা হয়না তারপরের দিন টের পাই রান্নাঘরের কি জঘন্য অবস্থা।আর খাওয়াদাওয়ার পরপরই এই ধোঁয়ার কাজটা হরহামেশাই করে থাকেন আমাদের মায়েরা, বোনেরা বউ য়েরা।বিল গেটস তার একটা বক্তব্যে বলেছিল রাতের খাবারের পর সবচেয়ে কঠিন কাজটা তিনি করেন এই থালাবাসন ধোঁয়ার কাজ, যারা তার কথায় ট্রোল করছেন বিশ্বাস করেন গোলাম হোসেন কথা একেবারে সত্যি বিশ্বাস না হলে একমাস করে দেখুন চ্যালেঞ্জ করলাম আপনি বিশ্বাস করতে বাধ্য হবেন কারণ ধোঁয়া মোচা করতে আমার কোমর ধরে যায়।
আগেরদিন ভেবে রেখেছিলাম সকাল ১০ টার গাড়ি ধরবো কিন্তু মিস করলাম কেন জানেন যাওয়ার আগে পুরো ঘরটা পরিষ্কার করা আধোঁয়া জিনিসপত্র ধুয়ে রাখা এইসব করতে করতে। আপনি এসব বুঝবেন না যদি না আপনি কাজগুলো না করেন। অথচ আমরা নারীদের ট্রোল করি ২ মিনিটের কথা বলে তারা ২ ঘন্টা সাজে। ভাই তারা শুধু সাজে না আপনার সংসার বলা মানুষগুলোর সংসারটাও সাজিয়ে গুছিয়ে তারপর বের হয় বেড়াতে যাওয়ার জন্যে। বিশ্বাস করেন আপনি যেদিন বলবেন চলো দুজনে মিলে ঘরের কাজগুলো করে তারপর বেড়িয়ে পড়ি দেখবেন সেইদিন থেকে তাদের ২ মিনিট মানে ২ ঘন্টা মনে হবেনা আপনার। বিশ্বাস হচ্ছেনা চ্যালেঞ্জ করলাম আগামী একমাস করে দেখুন আপনি বিশ্বাস করতে বাধ্য হবেন।
চাকরির কাটুনি এরপরে ঘরের সবকাজ করার পর আমার আর ইচ্ছে করেনা ক্যারিয়ার ভাবনা ভাবতে, ইচ্ছে করেনা একটু নতুন কোর্স করতে, ইচ্ছে করে ঘুমাতে কিন্তু এই ইচ্ছেকে জলাঞ্জলি দিয়েও নতুন কিছু শিখতে ঘুমটাকে ত্যাগ করি।বিশ্বাস করেন একজন নারীও অফিস থেকে আসার পর বাসার সব কাজ করে সে ও ক্লান্ত তার আর ইচ্ছে করেনা আমার মতো ক্যারিয়ার ভাবনা ভাবতে, নতুন কিছু শিখতে তারপরও নারীরা সব কষ্টকে পরাভূত করে নতুন কিছু শিখছে, ক্যারিয়ারে ভালো করছে।আমার পরিচিত অনেক নারীকে চিনি যারা ঘর সংসার, লাইফপার্টনার,সন্তান সন্ততি সব কিছুকে সামাল দিয়েও তারা কি দারুণ দক্ষতায় শীর্ষে আরোহন করছে। তারা আমার কাছে নমস্য, দেবী তুল্য।মাঝেমধ্যে ভাবি তাদের মাঝে কি এক্সটা পাওয়ার আছে?তারপরে ও আমরা ট্রোল করি মেয়েতো উপর মহলকে তেল মেরে প্রমোশনটা /চাকরী ভাগিয়ে নিয়েছে। বিশ্বাস করেন তেল মশলা সব দিয়ে যদি কাঙ্ক্ষিত জায়গাটা পেতাম কসম রাঁধুনির সব তেল মশলা বাজারে পেতেন না।আর যদি বিশ্বাস না হয় যোগ্যতা ছাড়া চেষ্টা করেই দেখুন।
আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় নারীর সবচেয়ে সম্মানের জায়গাটি কেবল মা।কেবল নিজের মা।একবার কি ভেবেছেন আপনার স্ত্রী আপনার সন্তানের মা,আপনার বোন আপনার ভাগনে ভাগ্নির মা, আপনার কলিগ তিনিও কারো না কারো মা,আবার তারা সকলেই নারী।তাহলে মায়ের সম্মানটা সকল নারীর প্রাপ্য।আমার কাছে মা মানে একটা অনন্য স্থান, যে নারী সন্তান জন্মদানের সময় মারা গিয়েছেন সেই সন্তানের লালনপালন যদি পুরুষ করেন তাহলেই সে সন্তানের মা ঐ পুরুষ। মাকে কেবল আমরা নারীকেন্দ্রিক করে রেখেছি আমাদের সমাজ ব্যবস্থায়।যদি আপনি আমার সাথে একমত হন তাহলে বিষয়টি দাঁড়ায় নারী মানে মা,মা মানে যিনি শিশুর বর্তমান ভবিষ্যৎ অর্থাৎ পুরুষ যে সন্তানের মায়ের ভূমিকায়। তাহলে সূত্র দাঁড়ায় নারী= মা,পুরুষ =মা অর্থাৎ নারী=পুরুষ =মা। আজ মা দিবসে সকল নারীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন মানেই নিজেকে সম্মানিত করা।মানব জাতিকে সম্মানিত করা। চলুন সমতার সমাজ গড়তে আমাদের মানসিকতাকে উন্নয়ন করি এবং নারীকে তার প্রাপ্য সম্মান ও মর্যাদা দিয়ে নিজে সম্মানিত হই।এই প্রকাশনাটি ভালো লাগলে শেয়ার করবেন এবং আপনার অনুপ্রেরণায় হবে আমার পরবর্তী ভাবনার খোরাক। শুভকামনায় সুজন নীল Aa

সোমবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্টে শিশুর দশ প্রকারের খেলার গুরুত্ব

আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্টে শিশুর দশ রকমের খেলা সম্পকে আজকে আপনাদের জানাবো। আন অকুফাইড প্লে এধরনের খেলা শিশুকে লক্ষ্যবস্তু ব্যতীত শারীরিক নড়াচড়া করতে সহায়তা করে এতে করে শিশুর ভবিষ্যতে সব অঙ্গ সঠিকভাবে পরিচালনা করতে সহযোগিতা করবে।এতে করে শিশু প্রানবন্ত ও কর্মতৎপর হয়ে উঠবে। সলিটারি/ইন্ডিপেন্ডেন্ট প্লে এই ধরনের খেলা শিশুকে একাকি থাকতে সহায়তা করে এবং এতে করে শিশু পরনির্ভরশীল না হয়ে স্বনির্ভর হয়ে উঠে।শিশু শেখে নিজেকে নিজে কি করে আনন্দিত করবে এবং নিজের প্রতি যত্নশীলতা। যেসব পরিবারে মা বাবা উভয়েই চাকুরীজীবি সেসব পরিবারের শিশুদের বেড়ে উঠার ক্ষেত্রে এ ধরনের খেলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনলুকার প্লেঃ যখন একটি বাচ্চা খেলা করে এবং আরেকটি বাচ্চা খেলাটি দেখে সেই দেখাটাই হলো অনলুকার প্লে।অনলুকার প্লেতে শিশু সরাসরি খেলাতে অংশগ্রহণ করেনা কিন্তু গভীরভাবে অন্য শিশুকে পর্যবেক্ষণ করে। এর মাধ্যমে শিশুর ইমিটেশন স্কিল ও মনোযোগ দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। পেরালাল প্লেঃ যখন দুইটি শিশু পাশাপাশি খেলা করে এবং একে অন্যকে মিমিক বা অনুকরণ করতে থাকে সাথে সাথে একে অন্যের আচরণগুলো আয়ত্ব করে থাকে তাই পেরালাল প্লে তে শিশুর খেলার সঙী খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যে আচরণগুলো শিশুর আয়ত্বে আনতে চান তা এই প্লে তে একজন শিশুর মতো রোল প্লে করে শিশুর আচরণে ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারেন তবে এই ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই আপনার ভেতরের শিশুটিকে জাগিয়ে তুলতে হবে। এসোসিয়েটিভ প্লেঃ এক্ষেত্রে আলাদাভাবে শিশু খেললে ও তাদের খেলার বিষয়টি একিই থাকে এবং একে অন্যের সহযোগী হয়ে ওঠে।যেমন ব্লক দিয়ে বিভিন্ন স্থাপনা তৈরি এর মাধ্যমে শিশুরা শেখে সামাজিকীকরণ, জঠিল সমস্যার সমাধান, অন্যের প্রতি সহযোগিতার মনোভাব, ভাষাগত দক্ষতা। আপনি যদি আপনার শিশুর মধ্যে এই স্কিলগুলো আনতে চান তাহলে তাকে এসোসিয়েটিভ প্লে তে উৎসাহিত করে তুলুন। কোওপারেটিভ প্লেঃশিশু যখন একসাথে একিই উদ্দেশ্য সাধনের জন্যে খেলে সেটাই কোওপারেটিভ প্লে।এই ধরনের খেলা শিশুর সামাজিক দক্ষতা ও সহযোগিতার মধ্যে যোগসূত্র তৈরি করতে শেখে।ভবিষ্যতে শিশুকে ম্যাচিউর করতে এধরণের খেলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।যেমনঃদাবা খেলা, ছক্কারবোর্ড। ড্রামাটিক / ফ্যান্টাস্টিক প্লেঃ শিশু নানা ধরনের সাজসজ্জা, পোশাক ও অঙ্গভঙ্গি মাধ্যমে এই ধরনের খেলা করে থাকে।এই ধরনের খেলার মাধ্যমে শিশু সামাজিক হয়ে ওঠে এবং সহযোগী মনোভাব অর্জন করতে শেখে।রোল প্লেয়িং এর মাধ্যমে শিশু বৃহৎ পরিসরে সামাজিকীকরণ শেখে।এই ধরনের খেলার মধ্য দিয়ে শিশুর বৃহত্তর পরিসরে ভাষাগত দক্ষতা অর্জন সম্ভব। এক্ষেত্রে আমি রাশিয়ার বেলা নামের চার বছরের শিশুর উদাহরণ দিতে পারি যে মাত্র চার বছর বয়সেই সাতটি দেশের আন্তর্জাতিক ভাষায় ভাব বিনিময় করতে সক্ষম। কম্পিটেটিভ প্লেঃ এই ধরনের খেলার মাধ্যমে শিশু নিয়মনীতি শেখে যা তাকে অপরাধ প্রবণতা থেকে দূরে রাখে এবং অন্যের প্রতি সহমর্মি হতে শেখায়।এবং একটি দলের অংশ হিসেবে তার কেমন আচরণ করা উচিত তা সে এই ধরনের খেলার মাধ্যমেই শিখে থাকে।যেমনঃ ফুটবল/ক্রিকেট এই ধরনের খেলাগুলো থেকে শিশু এই বিষয়সমূহ শিখতে পারে। ফিজিক্যাল প্লেঃ শিশুরা শারিরীক কসরতের মাধ্যমে যে খেলা করে থাকে তাই ফিজিক্যাল প্লে।এই ধরনের খেলার মাধ্যমে শিশুর পেশি উন্নত হয় এবং শিশুর হাড় সুগঠিত হয় ও রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া স্বাভাবিকতা বজায় থাকে,দেহের বৃদ্ধি দ্রুত হয়।শিশুর চলনের ক্ষেত্রে অনন্য ভূমিকা রাখে।যেমনঃ বড় চলনের/ মুভমেন্টের ক্ষেত্রে( gross Motor) ও ছোট চলনের/ মুভমেন্টের ক্ষেত্রে(fine Motor) এর উন্নয়ন হয়ে থাকে। আমার লেখাটি আপনার উপকারে আসলেই আমার লেখা স্বার্থক বলে মনে করবো, যদি আপনি উপকৃত হোন তবে কমেন্ট করে জানান এবং অন্যকে শেয়ার করে জানতে সহযোগিতা করুন কেননা অন্যকে সহযোগিতা করার মধ্যেই প্রকৃত আনন্দ। সুজন নীল সাইকোলজিস্ট একশন কন্ট্রা লা ফা (ফ্রান্স)

রবিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

স্বপ্নকে যেভাবে বাস্তবে পরিবর্তন করবেন

স্বপ্নকে বাস্তবে পরিবর্তন করবেন কিভাবে? রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ব্যবহার করুন আপনার সাব কন্সাস তথা অবচেতন মনকে । একটা লাল কালির কলমে লিখে ফেলুন আপনি যে স্বপ্ন দেখছেন কেন সেটা পূরণ করতে পারছেন না কি কি কারণে।একটা নতুন ডায়েরিতে আপনার স্বপ্ন ও সেটা পূরণ করতে না পারার পিছনের কারণগুলো লিখে ফেলুন।তারপর ঘুমিয়ে পড়ুন। এবার খেলাটা মস্তিষ্কের সে এই সমস্যাগুলোর সমাধান তৈরিতে কাজ করবে সারারাত।দেখবেন সকালে উঠে আপনার স্বপ্ন বাস্তবায়নের অনেক রাস্তা আপনি খুঁজে পেয়েছেন। রাস্তা খুঁজে পাওয়ার পর ভো দৌড় দেওয়া চলবেনা, এবার একটা একটা করে সিড়ি তৈরি করতে হবে আগেই পরিকল্পনা করুন কতটা সিড়ি উঠলে আপনি চুড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবেন সেই অনুযায়ী শুধুমাত্র একটাই সিড়ি বা স্টেপ পার করুন সেই লক্ষ্য নিয়ে।একটা সিড়ি পার করলে নিজেকে নিজে রিওয়ার্ড (নিজের পছন্দের যেকোন গিফট)দিন।এবং বলুন এইতো স্বপ্নের কাছাকাছি। তারপরের ফোকাস পরের সিড়িতে।এইভাবে একটি একটি করে সিড়ি তৈরি করে লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে। স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্যে আপনাকে অনেক কিছুই ছাড়তে হতে পারে সেজন্য কখনোই নিজের সিদ্ধান্তকে ভুল হয়েছে এটা মনে করবেননা, নিজের সিদান্তকে অন্যের দ্বারা প্ররোচিত করবেননা এতে আপনি ফ্রাস্ট্রেটেড হবেন।আমার এক বন্ধু ছাত্রজীবনে ডাক্তার এবং ইঞ্জিনিয়ার দুইটাতেই সুযোগ পেয়েছিল কিন্তু সে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তখন ডাক্তার হবে।দশ বছর পর তার ই সমকক্ষ কোন বন্ধু ইঞ্জিনিয়ারকে যখন আমেরিকার বিলাশ বহুল লাইফ লীড করতে দেখে তার মনে হয় সবসময়ই সে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নচেত তার জীবন ও এমন হতে পারতো।এই ফ্রাস্ট্রেশনে সে সবসময় ভুগছে তাই নিজের সিদ্ধান্তকে সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত মনে করুন।নচেত আপনি আপনার গোলে পৌঁছাতে পারবেননা। হাজারো মানুষ হাজারো মন তাদের হাজারো মতামত। এতো মানুষের মতামত আপনি শুনবেন কিন্তু সর্বোপরি নিজের মতামত নিন, আপনি কি চান? এই উত্তর আপনি খুঁজে পেলে আপনি আরো একটি ধাপ এগিয়ে গেলেন স্বপ্নের বাস্তবায়নের দিকে। আমাদের সবসময়ই তিনটি হাত কাজ করে।নিশ্চয়ই বুঝে ফেলেছেন তিন নাম্বার হাত কোনটি।হ্যাঁ সেটা আমাদের অজুহাত। যখন আমরা কোন কাজে ব্যর্থ হই তখন আমাদের অজুহাতের অন্ত থাকেনা।তাই বাম,ডান হাত ঠিক রেখে অজুহাতটাকে বিচ্ছেদ করতে হবে।বিজয়ীরা কখনো অজুহাত দেয়না তারা সবসময় খুঁজে বের করে কি কি বিষয় তাকে আটকে রাখছে স্বপ্ন পূরণ করতে না পারার পিছনে।যেমনঃ সময়,এনার্জি,টাকা, ইচ্ছা,জ্ঞান, পর্যাপ্ত সহযোগিতা। এরপর তারা এসবের সমাধানে নেমে পড়ে।আপনিও তাই করুন। স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্যে ওয়ান এন অনলি রুল হলো উইনার্স নেভার কুইট,কুইটার্স নেভার উইন।বিজয়ীরা কখনোই শেষ না দেখে ছাড়েনা।আর যারা শেষ অব্দি যায়না, ছেড়ে দেয় তারাই জীবনযুদ্ধে পরাজিত। তাই কখনোই আপনার স্বপ্নকে ছেড়ে যাবেন না।মুষ্টিযোদ্ধা মো আলী ক্লে বলেছেন আপনি আপনার একশো এক নাম্বার ঘুষিটা আপনার প্রতিপক্ষকে করুন দেখবেন বিজয় আপনার।তাই যখন ভাবছেন সকল শক্তি শেষ তার মধ্যেও শরীরের সর্বশক্তি নিয়ে শেষ চেষ্টা করুন স্বপ্ন আপনার হাতের মুঠোয় আসতে বাধ্য।আমি আমার জীবনের ছোট ছোট, মাঝারি অনেক স্বপ্নকে এইভাবেই ছুঁয়েছি। বড় স্বপ্নের জন্যে সময়ের প্র‍য়োজনীয়তা অত্যাবশ্যক। তাই সময়কেও গুরুত্ব দিন।একদিনে জিমে গিয়ে যেমন আরনল্ড সোয়ার্স নেগার হওয়া যাবেনা তেমনি কয়েকদিন পরিশ্রম করেও সাফল্য আসবেনা এরজন্যে একাগ্রভাবে লেগে থাকতে হবে।তাহলেই আপনার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে। এই বিষয়গুলো মেনে আপনি সফল হলে অবশ্যই আমাকে একটি বার্তা প্রেরণ করবেন আর লেখাটি যদি আপনার স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে সহায়ক হয় তবে লাইক কমেন্ট করে পাশে থাকবেন এই প্রত্যাশা। শুভ কামনায় সুজন নীল সাইকোলজিস্ট একশন কন্ট্রা লা ফা (ফ্রান্স)

মা দিবসে উপলব্ধি

মা দিবসে উপলব্ধি-সুজন নীল আপনি যখন একা জীবন যাপন করবেন তখন অনুধাবন করবেন ঘরের কাজগুলো ফেলনা নয় এই রান্নাবান্না, থালাবাসন মাজা,কাপড়চোপড় ধ...